Press Release

অ-সাংবিধানিক, গরিব বিরোধী, সাম্প্রদায়িক নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ও সারা ভারত এন আর সি-কে প্রত্যাখ্যান ও প্রতিহত করুন

05-Dec-2019, নিউ দিল্লী
ক্যাব ও এন আর সি এবং ছাত্র-শিক্ষক-বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর হামলার বিরুদ্ধে ১০ ডিসেম্বর, মানবাধিকার দিবসে প্রতিবাদ সংগঠিত করুন । নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল মন্ত্রীসভায় অনুমোদন পেয়েছে, সংসদে পেশ হতে চলেছে। চোরা পথে আর এস এসের "হিন্দু রাষ্ট্র""-এর ধারণাকে পাশ করানো হচ্ছে। ১। সংশোধনী বিলটি আনার প্রেক্ষিত হিসেবে বলা হচ্ছে যে এর ফলে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে আসা সংখ্যালঘুরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রশ্ন হল - প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে আসা নিপীড়িত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলি, যেমন রোহিঙ্গা মুসলমান, শ্রীলঙ্কার তামিল, তিব্বতী বৌদ্ধ, উইঘুর মুসলমান বা বাংলাদেশের নিপীড়িত নাস্তিক যুক্তিবাদী রাজনৈতিক গোষ্ঠি(যাদের অধিকাংশই মুসলমান উৎসের) এই তালিকা থেকে বাদ কেন? শরণার্থীর সংজ্ঞা নির্ধারণে ধর্মবিশ্বাস ও.....

অযোধ্যার বিতর্কিত জমির মালিকানা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় সম্পর্কে সিপিআই(এম এল) পলিটব্যুরোর বিবৃতি

09-Nov-2019, New Delhi
এটা মনে রাখা দরকার যে অযোধ্যার বিতর্কিত জমিটি সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায় ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের গর্হিত অপরাধমূলক কার্যকে কোনভাবে বৈধতা দেয়নি। কিন্তু বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে এই রায় একটি যুক্তিগ্রাহ্য সিদ্ধান্ত হাজির করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। যে তার্কিক ভিত্তি বর্ণনা করা হয়েছে আর যে উপসংহারে পৌঁছানো হয়েছে তাদের মধ্যে কোনও সামঞ্জস্য নাই। ফলত রায়টি অসঙ্গতিপূর্ণ ও প্রত্যয়হীন হয়ে পড়েছে। সর্বোচ্চ আদালত সঠিকভাবেই উল্লেখ করেছে যে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করাটা স্পষ্টতই আইন ভাঙা কাজ এবং মালিকানা মামলার সিদ্ধান্ত বিশ্বাসের ভিত্তিতে নয়, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হওয়া দরকার। কিন্তু, রাম মন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে পুরো জমিটি কেন্দ্র সরকারের হাতে তুলে দিয়ে.....

মধ্যরাতে আবার পুলিশের কড়া নাড়া। সাংবাদিক সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় কে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা

18-Oct-2019, Kolkata
সেই দুঃস্বপ্নের দিনগুলি আবার ফিরে আসছে। দেশজুড়ে, রাজ্যজুড়ে। কখনও "আরবান নকশাল" বলে, কখনও "মব লিঞ্চিং এর বিরোধিতা" করে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিবাদপত্র পাঠানোর জন্য দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। ফ্যাসিস্টরা গোটা দেশটাকেই জেলখানা বানাতে চায়। সাংবাদিক সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছুদিন ধরে তৃণমূল সরকার ও তৃণমূল নেতাদের দূর্ণীতি, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের ‌বিরোধিতা করে সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখি করছেন। রাজ্যবাসী যুক্তি -বুদ্ধি অনুযায়ী তা গ্রহণ বা বর্জন করছেন। কিন্তু তৃণমূল সরকার বা তৃণমূল কংগ্রেস দলের গাত্রদাহ এতে বেড়ে যায়। তথ্য উদাহরণ দিয়ে তাকে নস্যাৎ করার পরিবর্তে তৃণমূল সরকার ও দল সন্ময়বাবুকে ভীতি প্রদর্শন শুরু করে। দিনকয়েক আগে সন্ময়বাবুর পাণিহাটি আগরপাড়ার বাসভবনে পুলিশ মাঝরাতে হানা.....

কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য রাহুল সিনহা কে ক্ষমা চাইতে হবে

18-Oct-2019, kolkata
বিজেপির নেতা -নেত্রীরা অশ্লীল, অশোভন, কুৎসিত ভাষায় কথাবার্তা বলতে অভ্যস্ত। এনিয়ে বিজেপির নেতা-নেত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। সকলেরই লক্ষ্য সংবাদ মাধ্যমে ভেসে থাকা। আর এর মাধ্যমে রাজনীতির পরিবেশ কে কলুষিত করার কাজটা তারা সযত্নে চালিয়ে যান। সদ্য অর্থনীতিতে -নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তা ভাবনা কে কেউ পছন্দ বা সমর্থন নাই করতে পারেন। ঐ চিন্তা ভাবনা কে কেউ "বামপন্থী"বলে নস্যাৎ ও করতে পারেন। এতে "অপরাধ" কিছু নেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল যে ভাষায় ও যে যুক্তিতে অভিজিৎ্ ব্যানার্জির চিন্তা ভাবনা নাকচ করলেন,তা হাসির উদ্রেক করে মাত্র। "গত লোকসভা নির্বাচনে "ন্যায় প্রকল্প " নস্যাৎ করার মাধ্যমে জনগণ অভিজিৎ ব্যানার্জির চিন্তা.....

একমাস হয়ে গেল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘ পরিবারের গুন্ডামি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের নিন্দা পর্যন্ত করেননি রাজ্যপাল

18-Oct-2019, kolkata
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭টা সোয়া ৭টা, পুলিশের ঘেরাটোপে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।" ঘোষিত উদ্দেশ্য" মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় কে "উদ্ধার" ! রাজ্যপালের পেছন পেছন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢুকলো একদল পরিচিত দুস্কৃতি। লোকে তাদের আর এস এসের মদতপুষ্ট গুন্ডা বলেই চেনে। রাজ্যপাল যখন " উদ্ধারকাজে" ব্যস্ত,তখন সংঘী গুন্ডারা পুলিশের চোখের সামনে শুরু করে দিয়েছে তান্ডব। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে ছাত্র সংসদের অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ।চে গেভারার ফটো ভেঙে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া। বাধা দিতে গিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা আক্রান্ত, লাঞ্ছিত। রাজ্যপালের কাছে পুলিশ মারফত সব খবরই রিলে হচ্ছিল। রাজ্যপাল তখন ছাত্র ছাত্রীদের "সবক" শেখাতে ব্যস্ত। তারপর কেটে গেল একমাস।.....

১০ জুলাই বিকেলে সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের রাজ্য অফিসে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠক

10-Jul-2019, Kolkata
পার্টির সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, "দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর জনগণের উপর অর্থনৈতিক আক্রমণ বেড়ে চলেছে। পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি করে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়ানো হল। কর্পোরেটদের স্বার্থে শ্রম আইনকে শিথিল করা হল। ১৯২৭ সালের বন আইনকে পাল্টে নতুন বন আইন আনার ষড়যন্ত্র চলছে, যার ফলে ২৫ লক্ষ আদিবাসী মানুষ নতুন করে উদ্বাস্তু হবে। বেকার সমস্যা সমাধানে সরকারের বিন্দুমাত্র নজর নেই, আর এই বেকার যুবকদেরই মব লিঞ্চিং-র কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সড়ক থেকে পার্লামেন্ট সর্বত্রই জয় শ্রীরাম ধ্বনি। এই শ্লোগান এখন সংখ্যালঘু মানুষ, আদিবাসী-দলিত মানুষদের দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।" পশ্চিমবাংলার প্রতিবেশী রাজ্যগুলোতে আধিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতা দখলের পর বিজেপি.....

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে সিপিআই(এমএল) বিবৃতি

23-May-2019, নয়া দিল্লী, ২৩ মার্চ ২০১৯
বিজেপি পরিচালিত এনডিএ-র নিরঙ্কুশ জয় মোদী সরকারকে দ্বিতীয় দফার জন্য ক্ষমতায় নিয়ে এলো, কিন্তু যেভাবে এই জয় অর্জিত হল তা ভারতীয় গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য এক উদ্বেগজনক নিহিতার্থ বহন করছে। ২০১৪ সালের বিপরীতে এই দফায় মোদীর প্রচারে উন্নয়নের ভাঁওতা কমই ছিল। বরং তা নির্লজ্জভাবে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ও উগ্র জাতিদম্ভকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে, এমনকি সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ চালানোয় অভিযুক্ত প্রজ্ঞা ঠাকুরকে বিজেপির এক যথার্থ প্রতীক হিসাবে নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়। এই প্রেক্ষাপটে বিজেপির এই মাত্রায় জয় নিশ্চিতভাবে সেইসব শক্তিকে উৎসাহিত করছে যারা ধারাবাহিকভাবে আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে এসেছে এবং এই জয় নিশ্চিতভাবেই অনেক রাজ্য সরকারের স্থায়িত্ব নষ্ট.....

আর কোনও পুলওয়ামা নয়! নয় কোনও ভারত-পাক যুদ্ধ!

27-Feb-2019, New Delhi
গত ১৪ ফেব্রুয়ারী পুলওয়ামাতে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ের উপর সিআরপিএফ কনভয়ে আক্রমণ, যার দায় স্বীকার করে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জৈশ-ঈ-মহম্মদ এবং এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গতকাল ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রত্যাঘাত - দুই দেশের সম্পর্ককে আরও একবার যুদ্ধের অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র সচিব এই জবাবী হামলাকে 'সন্ত্রাস নিরোধক প্রতিষেধক হানা' বলে বর্ণনা করেছেন; অন্যদিকে, পাকিস্তান আচমকা আক্রমণের মাধ্যমে এই হামলার জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এই সমস্ত ঈঙ্গিত থেকেই ভারত ও পাকিস্তান আরেকটা যুদ্ধের কিনারে পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছে। ভারত ও পাকিস্তানের মতো দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে কোনও সীমিত সময়ের বা ক্ষণস্থায়ী যুদ্ধও ভারত, পাকিস্তান সহ গোটা দক্ষিণ এশিয়ার.....

মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে সিপিআই(এমএল)-এর বিবৃতি

29-Oct-2018, নয়া দিল্লী
দীর্ঘ সময় ধরে গৃহবন্দী রাখার পর পুণে সেশন কোর্ট বেইল মঞ্জুর না করায় পুণের পুলিশ গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিল আন্দোলনকর্মী সুধা ভরদ্বাজ, অরুণ ফেরেরা ও ভার্ণন গনসালভেসকে। সম্পূর্ণ মনগড়া অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএপিএ-র মতো একটি দমনমূলক আইন প্রয়োগ করে এরকমভাবে গ্রেপ্তার করাকে সিপিআই(এমএল) ধিক্কার জানায়। এই প্রসঙ্গে সুপ্রীম কোর্টের ক্ষুব্ধ রায়ে পূণে পুলিশের নির্লজ্জ কার্যকলাপ আগেই উন্মোচিত হয়েছে। কীভাবে তারা ভারতীয় সংবিধানকে পদদলিত করে আন্দোলনকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা সাজাচ্ছে তা সেই রায়ে প্রকাশ পেয়েছিল। ছত্তিশগঢ়ের সর্বাধিক বিপন্ন-উচ্ছিন্ন আদিবাসীদের আইনী সহযোগিতার জন্য যিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন সেই সুধা ভরদ্বাজের প্রতি সংহতি জ্ঞাপন করছে সিপিআই(এমএল)। সংহতি জ্ঞাপন করছে অরুণ ফেরেরা ও ভার্ণন গনসালভেসের.....