বাতিল হোক দমনের অস্ত্র রাষ্ট্রদ্রোহ আইন
sedition law

যেদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন, প্রতিহিংসার চরিতার্থতায় এর প্রয়োগ হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করলেন, ঠিক সেদিনই হরিয়ানায় ১০০ কৃষককে এই আইনে অভিযুক্ত করা হল। কেন্দ্রের তৈরি তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত কৃষকদের মিছিলে ঢুকে পড়ল একটা গাড়ি, যাতে ছিলেন হরিয়ানা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার এবং এক বিজেপি নেতা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হল, কৃষকদের সঙ্গে তাঁদের বাদানুবাদ ও কথা কাটাকাটি চলল এবং কৃষকদের ছোড়া ঢিলে তাঁদের গাড়ির পিছনের কাঁচ ভাঙল। কৃষকদের এই, ‘দুর্বিনীত’ আচরণকে হজম করাটা তাঁদের পক্ষে মর্যাদাকর মনে হলনা। কৃষকদের শত্রুজ্ঞানে শায়েস্তা করতে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনকেই তাঁরা অস্ত্র করলেন। বিরোধীদের ঢিট করতে সর্বাগ্ৰে একটা দানবীয় আইনকে হাতিয়ার করার ভাবনা মোদী জমানায় বিজেপি রাজনীতিবিদদের একটা প্রিয় প্রবণতা হয়ে উঠেছে। নরেন্দ্র মোদী ও যোগী আদিত্যনাথ সম্পর্কে ‘সমালোচনামূলক’ ও ‘মানহানিকর’ মন্তব্যের জন্য দেশদ্রোহ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে যথাক্রমে ১৪৯ ও ১৪৪টা। ফলে, ইউএপিএ ও রাষ্ট্রদ্রোহের মতো দানবীয় আইনের যথেচ্ছ প্রয়োগ এই জমানার এক অভিজ্ঞান রূপে সামনে এসেছে।

রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের উৎপত্তি ব্রিটিশ জমানায়। কোনো সৎ উদ্দেশ্যে যে আইনটা তৈরি হয়নি, এই আইনে ভুরি-ভুরি মামলায় স্বাধীনতা সংগ্ৰামীদের অভিযুক্ত হওয়াটা তার সাক্ষ্য বহন করছে। তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনাকে স্তব্ধ করতে, স্বাধীনতা আন্দোলনে রাশ টানতে ঔপনিবেশিক শাসকরা এই আইনকে কাজে লাগাত। ব্রিটিশরা এই আইন প্রয়োগ করে শাস্তি দিয়েছে গান্ধী, বাল গঙ্গাধর তিলক, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, নেহরু এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যান্য নেতাদের। ব্রিটিশদের কাছে যা ছিল তাদের অপশাসনের বিরুদ্ধে নির্ঘোষে লাগাম পরানোর অস্ত্র, স্বাধীনতা সংগ্ৰামীরা সেটাকে ঘৃণার বস্তু ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারতেন না। এই আইনে গ্ৰেপ্তার হওয়ার পর গান্ধী তাই বলেছিলেন, “আইনের চোখে যেটা ইচ্ছাকৃত অপরাধ, ... নাগরিক হিসাবে আমার কাছে সেটা মহত্তম কর্তব্য”। যে আইন আমাদের দেশে ঔপনিবেশিক পীড়নের অঙ্গ ছিল এবং আজ  তার ঐতিহ্য বহন করছে, স্বাধীনতা লাভের ৭৫ বছর পর তার অস্তিত্বের পক্ষে কোনো যৌক্তিকতা কি থাকতে পারে? ভগৎ সিং আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন — স্বাধীনতার পর ক্ষমতা বুঝিবা শ্বেত সাহেবদের হাত থেকে বাদামি সাহেবদের হাতে আসবে। আর সেটা ঘটলে বাদামি সাহেবদের হাতে গণতন্ত্রও খুব একটা কামনার বস্তু হবেনা। স্বাধীনতা আসার পর বাদামি সাহেবদের কাছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা তাই সহনীয় কোনো গুণ হিসাবে প্রশ্রয় পায়নি। ফলে, সংবিধান থেকে ‘সেডিশন’ বা রাষ্ট্রদ্রোহ শব্দটা উঠে গেলেও সরকারের সমালোচনা বন্ধের উপায় হিসাবেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারাকে বজায় রাখার পথেই তাঁরা গেছেন এবং রাষ্ট্রকে সামলাতে এটা কত কাজের তার যুক্তিও ফেরি করেছেন। যারা এই আইন প্রণয়ন করেছিল সেই ব্রিটিশরা ২০০৯ সালে তাদের দেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনকে বিদায় জানালেও আমাদের শাসকরা সযত্নে এই আইনকে আজও লালন করে চলেছেন।

কেউ যদি এমন কোনো কথা বলেন বা লেখেন বা অন্য কোনো উপায়ে আইনি পথে প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা করেন, তাকে অমান্য কিংবা অসম্মান করেন অথবা তার বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেন তবে সেটা হবে একটা জামিন অযোগ্য অপরাধ। আর এই অপরাধের জন্য শাস্তি হবে কম করে তিন বছরের এবং সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং তারসাথে জরিমানাও হতে পারে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহ এইভাবেই বিধৃত হয়েছে। অর্থাৎ, কেউ সরকারের সমালোচনা করলে, সরকার গৃহীত নীতির প্রতি বিরোধিতা দেখালে, প্রশাসনিক অপদার্থতা ও অরাজকতার দিকে আঙুল তুললে সরকার সেটাকে দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুসারে অপরাধ বলে গণ্য করে সেই ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে উদ্যত হতে পারে। কিন্তু সংবিধান তো আবার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকেও বুনিয়াদি অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। আর তাই দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা এবং সংবিধানের ১৯(১)(ক) ধারা (মত প্রকাশের স্বাধীনতা) কি পরস্পর বিরোধী নয়? শাসকদের বিচারে এই দুটো একসঙ্গে অবস্থান করলে তা কোনো মৌলিক বিরোধকে চিহ্নিত করেনা এবং আদালতও তাদের ব্যাখ্যায় ১২৪ক ধারাকে সাংবিধানিক বৈধতার অনুগামী বলে রায় দিয়েছে।

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে কখনও প্রশ্ন ওঠেনি এমন নয়। কিন্তু যখনই তা হয়েছে, সরকার ১৯৬২ সালে কেদার নাথ সিং মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ঢাল করেছে। কেদার নাথ সিং ছিলেন বিহারের ফরোয়ার্ড কমিউনিস্ট পার্টির নেতা। সরকারের সমালোচনা করায় তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি আবার তাঁর বিরুদ্ধে চালানো এই অনাচারকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া মামলা তুলে নিলেও রায় দেয় যে — সংবিধানের স্পিরিটের সঙ্গে দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার কোনো মৌলিক বিরোধ নেই। অতএব রং নির্বিশেষে সরকারগুলোর কাছে রাষ্ট্রের সুরক্ষায় এই ধারাকে এক অপরিহার্য হাতিয়ার বলে গণ্য করতে কোনো বাধা হয়নি। সিপিআই নেতা ডি রাজা ২০১১ সালে রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে একটা বিল নিয়ে এসে এই ধারাকে তুলে দেওয়ার আবেদন জানান। তিনি বলেন, “যারা জনগণের হয়ে লড়াই করে, এই ধারা মূলত তাদের বিরুদ্ধেই প্রয়োগ হয়।” মনমোহন সিং সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী তখন সংসদে বলেন, “এই ধারা অবশ্যই রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিশালী রাষ্ট্রের পক্ষে এটা অপরিহার্য। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা গণতন্ত্রের সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ।” আর ২০১৯ সালের জুলাই মাসে নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রীসভার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজ্যসভায় বলেন, “জাতি-বিরোধী, বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসবাদী লোকজনদের সক্রিয় মোকাবিলায়” এই ধারা একান্তভাবেই জরুরি, এবং এটাকে তুলে নেওয়ার কোনো অভিপ্রায় সরকারের নেই। এইভাবে, বর্ণ যতই আলাদা হোক না কেন, সব সরকারের কাছেই ‘শক্তিশালী’ রাষ্ট্রের নির্ণায়ক উপাদান হিসাবে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারা অত্যন্ত অভিপ্রেত বিষয় হিসাবে অবস্থান করেছে। এবং রাষ্ট্রশক্তির কাছে এমন আবশ্যকীয় বস্তু হওয়ায় এই ধারার প্রয়োগেও বিরতি নেই, আর বর্তমান জমানা এর ব্যবহারে অন্যান্য জমানাকে অনেক ছাড়িয়ে গেছে।

মূলত সরকারের সমালোচকরাই এই ধারার শিকার হয়েছে এবং হচ্ছে। অর্থৎ, সংবিধান নিজস্ব মত প্রকাশকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দিলেও তার অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত অনুশীলনকে সরকার বাঞ্ছিত বলে মানতে চায় না। সরকার তাই তার সমালোচকদের কাছে এই বার্তাই পাঠাতে থাকে যে — সরকার বিরোধিতায় মুখ বন্ধ না করলে দেশদ্রোহ আইনে শাস্তি পেতে হবে। আবার, সরকারের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ ঘনিয়ে উঠলে তার দমনে ঐ আন্দোলনের মূল সংগঠকদের নিরস্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে দেশদ্রোহ আইন সরকারের কাছে এক বড় অবলম্বন হয়ে ওঠে। গত দেড় দশকে দেশদ্রোহ আইনে অভিযুক্ত হওয়ার কয়েকটি নিদর্শন হল — বিনায়ক সেন (২০০৭), তামিলনাড়ুর কুড়ানকুলামে নির্মিত পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো কয়েক হাজার মানুষ (২০১১-১২), কানহাইয়া কুমার (২০১৬), ঝাড়খণ্ডের খুন্তি জেলায় জমি গ্ৰাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী হাজার-হাজার মানুষ (২০১৯), সাংবাদিক কমল শুক্লা (২০১৮), আসামের স্কলার হীরেন গোঁহাই (২০১৯)। সাংবাদিক বিনোদ দুয়া ২০২০ সালের জুন মাসে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় মোদী সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলাকে নিজ দলের পক্ষে ভোট টানার কাজে মোদী লাগিয়েছিলেন বলেও তিনি মত প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর এই মত প্রকাশকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হিংসায় প্ররোচনা দান বলে তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ আইনে মামলা দায়ের করেছিলেন হিমাচল প্রদেশের বিজেপি নেতা অজয় শ্যাম ভিল। এছাড়া, ২০২১’র ২৬ জানুয়ারি দিল্লীর কৃষক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে ‘ভুয়ো খবর’ ছড়ানোর অভিযোগে দেশদ্রোহের অভিযোগ দায়ের হয় কংগ্ৰেস নেতা শশি থারুর, সাংবাদিক রাজদীপ সরদেশাই, ন্যাশনাল হেরল্ড পত্রিকার সম্পাদক মৃণাল পাণ্ডে, ক্যারাভ্যান পত্রিকার সম্পাদক পরেশ নাথ ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে। এঁরা নাকি “ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উস্কিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, হিংসা ও দাঙ্গার মত পরিস্থিতি সৃষ্টির বীজ বপন করেছিলেন।” অতএব, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের কর্মী, উত্তরপ্রদেশের হাথরসে গণধর্ষণের প্রতিবাদকারী, পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলা ব্যক্তি, বিভিন্ন জনআন্দোলনে যুক্ত হাজার-হাজার মানুষ — যাদেরই সরকার অসুবিধাজনক ও অস্বস্তিকর মনে করেছে, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন দিয়ে তাদের নিরস্ত করার পথে সে এগিয়ে গেছে।

বিরোধী স্বরের দমনে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের নিয়মিত প্রয়োগ হলেও এর গণতন্ত্র-বিরোধী চরিত্রের বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠাকে থামানো যায়নি। এই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, সংবিধানের স্পিরিটের সঙ্গে তার অসংগতির কথা তুলে ধরে সুপ্রিম কোর্টে সম্প্রতি বেশ কয়েকটা মামলা দায়ের হয়েছে। একটা মামলা করেছেন দুই সাংবাদিক — মনিপুরের কিশোর চন্দ্র ওয়াংখেমচা এবং ছত্তিশগড়ের কানহাইয়া লাল শুক্লা। দুজনেই রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে অভিযুক্ত হয়েছিলেন, এবং কানহাইয়া লাল শুক্লা আগাম জামিন পেলেও কিশোর চন্দ্র ওয়াংখেমচাকে ২১০ দিন কারাযন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছিল। আর একটা মামলা করেছেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর এস জি ভেম্ববাটকেরে। তৃতীয় একটি মামলা দায়ের হয়েছে অসরকারি সংস্থা ‘কমন কজ’ এবং প্রাক্তন বিজেপি নেতা অরুণ শৌরির পক্ষে যৌথভাবে। তিনটে মামলারই মূল স্বর হল — এই আইন মত প্রকাশের স্বাধীনতার কাছে মূর্তিমান এক আতঙ্ক রূপে হাজির হচ্ছে, যেকোনো বিরোধী মতের দমনে শাসক দলগুলো সারা দেশেই এই আইনকে ক্রমেই বেশি-বেশি করে প্রয়োগ করছে, এই আইন সম্পর্কে ৬০ বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের অভিমত ঠিক হলেও আজকের পরিস্থিতিতে এই আইন সাংবিধানিক বৈধতার স্বীকৃতি পেতে পারেনা। এই আইনকে তাই বাতিল করা হোক। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এ ভি রমণাও আইনটার অসংগত প্রয়োগের দিকে আঙুল তুলে বলেছেন — “সরকারের বিরুদ্ধে যাঁরা কথা বলছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ রাষ্ট্রদ্রোহ আইন প্রয়োগ করে এর অপব্যবহার করছে। রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা দায়ের করার ক্ষেত্রে কোনো দায়বদ্ধতা নেই।” স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরও এই আইনের কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা, সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন। দেশে এখন চলছে এক অঘোষিত জরুরি অবস্থা, কেন্দ্রের শাসকদের হাতে গণতান্ত্রিক অধিকারের হরণ এক ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হয়ে উঠেছে, কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের অধিকারের বঞ্চনায় কোনো যতি নেই, স্বৈরাচারী শাসনের ভারে জনগণ ক্রমেই আরও ন্যুব্জ হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থায় দানবীয় এই আইনকে বিদায় জানানোটা একান্ত আবশ্যক, গণতান্ত্রিক কাঠামোয় দানবীয় আইনের কোনো ঠাঁই থাকতে পারে না।

- জয়দীপ মিত্র 

খণ্ড-28
সংখ্যা-28