খবরা-খবর
দেশ জুড়ে পালিত হল পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবস এবং লেনিনের জন্মবার্ষিকী
party-foundation-day

সিপিআই(এমএল)এর ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং কমরেড লেনিনের ১৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে পার্টি ইউনিটগুলি লাল পতাকা উত্তোলন এবং কমরেড লেনিন এবং কমরেড চারু মজুমদার সহ ভারতের জনগণের মুক্তির জন্য সর্বস্ব উৎসর্গ করা সমস্ত শহীদ ও প্রয়াত নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণ করে। সদস্য, সমর্থক এবং হাজার হাজার সাধারণ জনগণ “ধর্মীয় ও ভাষাগত বিভেদ ছিন্ন করে সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সংহতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করতে দিনরাত সক্রিয় থাকার” অঙ্গীকার গ্রহণ করেন, “শ্রমিক-কৃষক, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান সবাইকে একে অপরের সঙ্গে দাঁড়াতে হবে এবং ফ্যাসিবাদকে পরাস্ত করতে এবং গণতন্ত্র ও দেশকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে।”

সিপিআই(এমএল) সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য দিল্লির কেন্দ্রীয় কার্যালয় চারু ভবনে পতাকা উত্তোলন করেন এবং শ্রদ্ধা জানান। তিনি পার্টির সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের বিপ্লবী অভিবাদন জানান এবং ফ্যাসিবাদী আক্রমণের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করার জন্য সকলকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মোদি সরকার সমস্ত দিক থেকে ব্যর্থ, এবং এখন মরিয়া হয়ে বিরোধীদের দমন করতে, বিচার বিভাগ সহ গণতন্ত্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে কুক্ষিগত করতে এবং নাগরিকদের প্রতিটি সাংবিধানিক স্বাধীনতাকে সীমিত করতে সর্বাত্মক অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অবশ্যই সিপিআই(এমএল)কে শক্তিশালী করতে হবে এবং জনগণের ব্যাপক ভিত্তিক ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

দেশব্যাপী হাজার হাজার পার্টি ব্রাঞ্চ দিবসটি উদ্দীপনা ও সংকল্পের সাথে উদযাপন করেছে। সিপিআই(এমএল) ১৯৬৯ সালের ২২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক চারু মজুমদার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত একটি বিশাল সমাবেশে পার্টি ঘোষণা করেছিলেন। ভারতে বিপ্লবী দিশা প্রতিষ্ঠায় কমিউনিস্টদের অভ্যন্তরে দীর্ঘ আন্তঃপার্টি সংগ্রাম এবং ঐতিহাসিক নকশালবাড়ি কৃষক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পার্টির উত্থান ঘটে।

সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ৫৪ বছর পর আজ মানুষ কর্পোরেট ফ্যাসিবাদী শক্তির আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে এবং গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামকে শক্তিশালী করার এবং সংবিধানকে বাঁচানোর জন্য আমাদের সমাজে চলা নিরন্তর অনুসন্ধানের মধ্যে সিপিআই(এমএল)-এর ভূমিকা ও বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যাপকভাবে স্বীকৃত হয়েছে।

সকল সদস্য সম্মিলিতভাবে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করার শপথ পাঠ করেন, পতাকা উত্তোলন করেন এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রতিটি রাজ্যের বহু ব্লক এবং পঞ্চায়েতের পার্টি অফিস এবং খোলা জায়গায় গণ জমায়েতে স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

- এমএল আপডেট রিপোর্ট

lenin's-birth-anniversary-were-celebrated
party-foundation-day

সারা রাজ্যের সমস্ত পার্টি অফিস সহ বহু ব্রাঞ্চে এবং স্থানীয় স্তরে ২২ এপ্রিল সকালে অথবা সন্ধ্যায় পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস তথা মহামতি লেনিনের জন্ম জয়ন্তী পালন করা হয় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার গ্রহণের মাধ্যমে। একাদশ পার্টি কংগ্রেস যে দিশা ও কর্তব্য পার্টির ওপর আরোপ করেছে এবং সমগ্র পার্টি যে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে তার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা চলে। এই রাজ্যের নির্দিষ্ট বাস্তবতায় পার্টিকে শক্তিশালী করা এবং জনগণের মাঝে ব্যাপক ভিত্তিক ফ্যাসিবিরোধী ঐক্য গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সামনে কিরকম সুযোগ ও সমস্যাগুলো আছে তা নিয়েও আলোচনা চলে। প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের সংগঠনের স্বাধীন কার্যকলাপ প্রসারিত করার সাথে সাথে সমাজের বিভিন্ন সংগ্রামের সাথে আন্তরিকভাবে একাত্ম হওয়া, তাদের উৎসাহিত করা, সমাজের বিভিন্ন নিপীড়িত সত্ত্বার আন্দোলনের গণতান্ত্রিক অন্তর্বস্তুকে অনুধাবন ও আত্মস্থ করা ইত্যাদি দিকও চর্চায় উঠে আসে। ফ্যাসিবাদকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হলে সকল পার্টি কর্মীকে মতাদর্শগতভাবে শক্তিশালী হওয়ার এবং আপৎকালীন তৎপরতায় সদা সর্বদা সক্রিয় থাকার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে। পত্রিকার দপ্তরে আসা বিভিন্ন রিপোর্টের অল্প কিছু টুকরোই আমরা পত্রিকার এই সংখ্যায় তুলে ধরতে পারছি।

হুগলি জেলা

২২ এপ্রিল সকালে হুগলিঘাটে পার্টির জেলা অফিসে প্রতিষ্ঠা দিবসে লাল পতাকা তোলেন বর্ষীয়ান কমরেড মাণিক দাশগুপ্ত। উপস্থিত ছিলেন কমরেড জেলা সম্পাদক ও ব্যান্ডেল-চুঁচুড়া এলাকার মহিলা, শ্রমিক সহ অন্যান্য কমরেডরা। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বান পাঠ করে পার্টিকে শক্তিশালী করার শপথ নেওয়া হয়। জেলার শহরাঞ্চলে চুঁচুড়ার খাগড়াজোল ব্রাঞ্চে মূলত শ্রমিক কমরেডরা মিলিত হয়ে প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বান ও পার্টি কংগ্রেসের বার্তা নিয়ে আলোচনা হয়। চন্দননগর ব্রাঞ্চ ও ভদ্রেশ্বর অ্যাঙ্গাস জুটমিল ব্রাঞ্চে কমরেড লেনিনকে স্মরণ করা হয় এবং পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবসে পার্টি গঠনের সঙ্গে যুক্ত কমরেডদেরকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং পার্টি কংগ্রেসের রাজনৈতিক দিশা নিয়ে আলোচনা হয়। উত্তরপাড়া থানা এরিয়া কমিটির তত্ত্বাবধানে ঐ এলাকার ১১ টি'র মধ্যে ১০ টি ব্রাঞ্চেই সকালে পতাকা উত্তোলন, শপথবাক্য পাঠ ও শহীদ স্মরণ কর্মসূচি সংগঠিত হয় এবং ঐ এলাকার জেলা কমিটির সদস্যরা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতিটি ব্রাঞ্চের কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকেন। নির্মাণ শ্রমিক কমরেডরা সুশৃঙ্খল ভাবে ২/৩ টি শাখার কর্মসূচি সংগঠিত করেন।

জেলার গ্রামাঞ্চলে এই সময়ে গ্রামীণ মেহনতীদের কিছু বুনিয়াদী দাবিদাওয়া নিয়ে ২৭ এপ্রিল ক্ষেতমজুর সংগঠনের তরফ থেকে ব্লকে ব্লকে ডেপুটেশন ও জমায়েতের জন্য প্রচার ও জনসংযোগ চলছে। তার মধ্যেই পার্টির কাজের এলাকার প্রায় সবকটি জায়গাতেই ২২ এপ্রিলের কর্মসূচি সংগঠিত হয়েছে। ধনিয়াখালির মল্লিকপুর পার্টি অফিসে লোকাল কমিটির বিভিন্ন ব্রাঞ্চের কমরেডরা সম্মিলিত ভাবে পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করেন এবং সেখানে পার্টি কংগ্রেসের বার্তা নিয়ে আলোচনা হয়। পোলবা-দাদপুর ব্লকের সারাংপুর গ্রামে ও আমনান পঞ্চায়েতের বরুনানপাড়া ব্রাঞ্চে মূলত আদিবাসী মহিলা সাথীদের উদ্যোগে পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। পাণ্ডুয়া ব্লকের দ্বারবাসিনী ও সাঁচিতাড়া ব্রাঞ্চে পৃথকভাবে পতাকা উত্তোলন ও শপথবাক্য পাঠ করা হয়। বৈঁচি পার্টি অফিসে পতাকা উত্তোলন করা হয় সকালে এবং পরেরদিন সন্ধ্যায় সংগঠিত হয় কর্মীবৈঠক। ঐ লোকাল কমিটির অন্তর্গত কোঁচমালি ব্রাঞ্চের রায় পাড়ায় পার্টি কংগ্রেসের বার্তা নিয়ে আলোচনা হয়। কুলিপুকুর-সোনারগাঁওয়ে আদিবাসী মানুষদেরকে সংগঠিত করে ২২ এপ্রিল স্মরণ করা হয়। বলাগড় ব্লকের গুপ্তিপাড়া ব্রাঞ্চে পতাকা উত্তোলন ও শপথবাক্য পাঠের মধ্য দিয়ে ২২ এপ্রিলের কর্মসূচি সংগঠিত হয় এবং জিরাট, ডুমুরদহ সহ অন্যান্য এলাকায় ১১ দফা দাবিতে ২৭ এপ্রিল কর্মসূচির প্রচারের মধ্যে পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস স্মরণ করা হয়। গ্রামাঞ্চলের কর্মীবৈঠকগুলির আলোচনায় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতিকাজ নিয়েও আলোচনা চলে।

party-foundation-day-celebrated

হাওড়া জেলা

২২ এপ্রিল বালি গ্রামাঞ্চলে দুর্গাপুর ব্রাঞ্চের উদ্যোগে সমবায়পল্লী নতুন বাজার এলাকায় পথসভা। বালি জোড়া-অশ্বত্থতলা শহীদ বেদি ও সরখেল পাড়া শহীদ বেদিতে রক্তপতাকা উত্তোলনে আইসার সাথীদের উপস্থিতি ছিল ভাল মাত্রায়। সন্ধ্যায় বালি পার্টি অফিসে বালি ১ ও ২নং পার্টি ব্রাঞ্চের বৈঠক হয়। কর্মসূচি হয় আড়ুপাড়া ব্রাঞ্চে। হারোপ ও বাঙ্গালপুর ব্রাঞ্চ মিলিতভাবে। মধ্য হাওড়ার এমসি ঘোষ লেন, কদমতলা ব্রাঞ্চ, ঘোড়াঘাটা স্টেশনে, বাগনান ১নম্বর ব্লকের ভূঞেড়া ব্রাঞ্চ, সাঁত্রাগাছি পার্টি ব্রাঞ্চ প্রভৃতি জায়গায় পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবস তথা লেনিন জন্মজয়ন্তী পালিত হয় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে।

দার্জিলিং জেলা

শিলিগুড়ির জেলা কার্যালয়ে পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সম্পাদক অভিজিৎ মজুমদার। রক্ত পতাকা উত্তোলন করেন বর্ষীয়ান সদস্য গৌতম চক্রবর্তী। উপস্থিত কমরেডদের কাছে রাজ্য সম্পাদক ২২ এপ্রিলের আহ্বান ও সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন সাংগঠনিকভাবে পার্টিকে আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান রাখেন লোকাল কমিটির সম্পাদিকা মুক্তি সরকার ও । শক্তিগড়ের দুটি ব্রাঞ্চের ২২ এপ্রিলের অঙ্গীকার উপ্সথাপনা করেন শাশ্বতী সেনগুপ্ত।

রাঙাপাণীর নিমতলা বড়পথু ব্রাঞ্চ এবং ভতন জোত ব্রাঞ্চে জেলা সম্পাদকের নেতৃত্বে ২২ এপ্রিলের অঙ্গীকার বিস্তারিত আলচিত হয়। খড়িবাড়ির কুচিয়াজোতের মাঠে দুটি ব্রাঞ্চের ৩০ জন কর্মীর উপস্থিতিতে একটি সভা করা হয়। ২২ এপ্রিলের অঙ্গীকার সকলের সামনে রাখেন কমরেড খুফুর সিংহ, রামসুরজ মার্ডি। জেলা স্তরে আন্দোলনকে শক্তিশালী করার আহ্বান রেখে শেষ হয় সভা।

কলকাতা

কলকাতায় সকালে ধর্মতলায় লেনিন মূর্তির পাদদেশে পার্টির নেতৃবৃন্দের একাংশ জমায়েত হয়ে লেনিন মূর্তিতে মাল্যদান করার পর পার্টির সদর দপ্তরে শহিদ বেদীর সামনে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

যাদবপুর লোকাল কমিটি অফিস ও পাঁচটি ব্রাঞ্চে, বেহালায় কালিতলা, রবীন্দ্রনগর ও সরকারহাটে, ভবানীপুর এলাকায় কালিঘাট বাস্তুহারা বাজার মোড় ও যদুবাবুর বাজার মোড়ে, রামলালবাজার, গড়ফা মোড়, পালবাজার, সার্ভে পার্কে পতাকা তোলা হয়। এছাড়া গড়িয়া ব্রাঞ্চ গড়িয়া মোড়ে, বাঁশদ্রোণীর ব্রাঞ্চ মাস্টারদা সূর্য সেন স্টেশনে সকালে পতাকা উত্তোলন করে। সন্ধ্যায় ব্রাঞ্চগুলিতে কেন্দ্রীয় অঙ্গীকার নিয়ে আলোচনা হয়। কমরেডরা পার্টির ২২ এপ্রিল আহ্বান, ও কেন্দ্রীয় কমিটির তরফ থেকে প্রকাশিত পুস্তিকা এবং আগামী কিছু কাজের পরিকল্পনা নিয়ে আলাপ আলোচনা করেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২টি ব্রাঞ্চ বিকালে একত্রে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সেখানে ছাত্র কমরেডদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ও গবেষক ছাত্ররাও উপস্থিত ছিলেন।

পার্টির রাজ্য অফিসে বিকালে এক আলোচনা সভা হয়। উত্তর কোলকাতার ছাত্রছাত্রী কমরেডরা, পূর্ব মধ্য কলকাতার লোকাল কমিটির সদস্যবৃন্দ, দেশব্রতীর সাথে যুক্ত কমরেডগণ ও পার্টি অফিস টিমের সদস্যরাও তাতে অংশ নেন। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা পার্থ ঘোষ ওই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।

উত্তর ২৪ পরগণা

সকালে জেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করে ও লেনিনের প্রতিকৃতিতে মালা দিয়ে পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবস ও লেনিন জয়ন্তী পালন করা হয়। ২২ এপ্রিল জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা ব্রাঞ্চগুলি বিকেল সন্ধ্যার দিকে বিশেষ সভার আয়োজন করে৷ সেইদিন ইদ উৎসব থাকায় কয়েকটি এলাকায় পরবর্তী কয়েকদিনেও ব্রাঞ্চ বৈঠকগুলি আয়োজিত হয়। বেলঘরিয়া, আগরপাড়া, কামারহাটি, রাজারহাট, নৈহাটি গ্রাম ও শহর, হালিশহর, জগদ্দল, অশোকনগর, বসিরহাট সহ নানা জায়গার ব্রাঞ্চ বৈঠকগুলির বেশিরভাগেই সদস্যরা ভালো সংখ্যায় উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় কমিটির পাঠানো শপথ পাঠ করা ছাড়াও পার্টি কংগ্রেসের বার্তা নিয়ে বৈঠকগুলিতে চর্চা হয়। ব্রাঞ্চকে শক্তিশালী কীভাবে করা যায় তা নিয়েও সদস্যরা মত বিনিময় করেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা

জেলা অফিস সহ ১০টি স্থানে কর্মসূচি পালিত হয়। নিশ্চিন্তপুর পঞ্চায়েতের সিংপাড়া, হালদারপাড়া, বৈষ্ণবপাড়া, জামালপুর দাসপাড়া, জামালপুর সেখ পাড়ায় এবং সোনারপুর-বারুইপুরের মল্লিকপুর স্টেশনের অটো-স্ট্যান্ডে পার্টি প্রতিষ্ঠা দিবসে কর্মসূচি পালিত হয়। বিষ্ণুপুর সাতগাছিয়ার রসপুঞ্জ ব্রাঞ্চের উদ্যোগে রসপুঞ্জ মোড়ে এবং উস্থির একটি স্থানে কর্মসূচি পালিত হয়। বিকালে নিশ্চিন্তপুর পঞ্চায়েত ১ নং লোকাল কমিটি ও বিষ্ণুপুর সাতগাছিয়া লোকাল কমিটির উদ্যোগে দুটি স্থানে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বানের উপর আলোচনা সভা আয়োজিত হয়।

খণ্ড-30
সংখ্যা-12