মিড ডে মিল কর্মীদের পুজো অনুদান থেকে বঞ্চিত করা চলবে না : মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি রন্ধনকর্মী ইউনিয়নের
mid

খোলা চিঠিতে বলা হয় যে ‘পশ্চিমবঙ্গ সংগ্রামী রন্ধনকর্মী (মিড ডে মিল) ইউনিয়ন (রেজিস্ট্রেশন নং ২৬৪২৭)’ রন্ধনকর্মীদের পুজো অনুদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার আবেদন করেছে, কিন্তু কোনো সাড়া পায়নি।

আশাকর্মীদের ভাতাবৃদ্ধি ও হকারদের  আর্থিক অনুদানের যে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়ে এই চিঠিতে বলা হয়, মিড ডে মিল কর্মীরা ভাতাবৃদ্ধি বা পুজোর অনুদান থেকে কেন বঞ্চিত হলেন? মিড ডে মিল কর্মী যারা স্কুলে স্কুলে রান্নার কাজ করেন, তাঁরা অধিকাংশই অন্ত্যজ শ্রেণী বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে আসা অভাবী মহিলা। এরা দীর্ঘদিন মাসিক ১,৫০০ টাকা সাম্মানিক ভাতা নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। এরাও তো করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারির সৈনিক। লকডাউনের সময় যখন বেশিরভাগ মানুষ গৃহবন্দী, তখন এরাই, শিশুরা যাতে অভুক্ত না থাকে, তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল, আলু পৌঁছে দিয়েছেন। আপনার এই দুঃস্থ মহিলাদের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ কেন? মিড ডে মিল কর্মী সংগঠন থেকে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বহুবার ভাতা বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা! অবস্থার কোনো পরিবর্তন হল না। আমরা উদ্বেগের সাথে দেখছি ক্লাবগুলোকে পুজো অনুদানে সরকারের কোষাগারে কোনো সঙ্কট থাকে না। অর্থাভাব থাকে শুধুমাত্র মিড ডে মিল কর্মীদের সাম্মানিক ভাতা বাড়ানো বা পুজোর অনুদান দেওয়ার প্রশ্নে। আপনার কাছে আমাদের বিনীত আবেদন পুজোর সময় অন্যদের মতো মিড ডে মিল কর্মীদেরও অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। এই অভাবী মহিলাদের সাহায্য করুন, পাশে দাঁড়ান।

খণ্ড-27
সংখ্যা-35